Breaking news
অন্যান্য

মেডিকেল অক্সিজেন রোডম্যাপ প্রণয়নে কমিটি

চিকিৎসা অক্সিজেনের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতে ২৭ সদস্যের টেকনিক্যাল কমিটি গঠন

ডেস্ক রিপোর্ট
জুলাই ২০, ২০২৬ 0

দেশের স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসা অক্সিজেনের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ও টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল মেডিকেল অক্সিজেন রোডম্যাপ (২০২৬–২০৩০)’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই কর্মপরিকল্পনা তৈরির লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতকে সভাপতি করে ২৭ সদস্যের একটি টেকনিক্যাল কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

কমিটিতে সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শাহ ইমাম আলী রেজা। এতে স্বাস্থ্য ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, বুয়েট এবং আইসিডিডিআর,বি-এর বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা যুক্ত আছেন।

এই কমিটির প্রধান কাজ হলো চিকিৎসা অক্সিজেনের মান নিয়ন্ত্রণ এবং একটি কার্যকর জাতীয় গাইডলাইন তৈরি করা। এর মাধ্যমে দেশের হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেনের সহজলভ্যতা নিশ্চিতের পাশাপাশি যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

Popular post
শেষের অনুশোচনা

মোবারক হোসেন ছিলেন শহরের প্রান্তে ছোট একটি ব্যবসার মালিক। সারা জীবন হিসাবি, কিপ্টে ও আত্মকেন্দ্রিক মনোভাবের কারণে তাঁর সুনাম কখনো গড়ে ওঠেনি। ছেলেবেলায় তাঁর পরিবার অভাবী ছিল, কিন্তু মা-বাবা সব সময় চেষ্টা করতেন সন্তানদের প্রয়োজন পূরণ করতে। অথচ সেই মোবারক সামান্য টাকা জমাতে গিয়ে মা-বাবার ওষুধ কেনা থেকেও পিছপা হয়েছেন। আত্মীয়স্বজনের বিপদে কখনো একটি পয়সা দেননি, এমনকি বন্ধুবান্ধবের কাছ থেকে দূরে থেকেছেন কেউ ধার চেয়ে বসে এই ভয়ে। সময়ের সাথে সাথে মোবারকের ব্যবসা জমে উঠল। দোকান থেকে উপার্জিত টাকা তিনি ব্যাংকে জমাতেন, ফিক্সড ডিপোজিট করতেন, আর স্বর্ণ কিনে লুকিয়ে রাখতেন পুরোনো ট্রাংকে। কেউ জানত না তাঁর আসল সম্পদের পরিমাণ। অথচ নিজের বাড়িটাও পুরোনো, ফাটল ধরা দেয়ালে ভরা। সেখানেই থাকতেন একাকী, রান্নার কাজ করতেন নিজেই, যেন একটা ডিমও অপচয় না হয়। বয়স যখন ষাট পেরিয়েছে, তখন হঠাৎ একদিন সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি একটি বাগানবাড়ি বানাবেন শহরের বাইরে। শেষ বয়সে একটু খোলামেলা পরিবেশে থাকা যাবে, এই যুক্তি দেখিয়ে অনেক টাকা খরচ করলেন। বাড়িটি বানাতে গিয়ে বহু শ্রমিক, ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ দিলেন। মোবারক বাড়ির সব খরচ নিজ হাতে হিসাব রাখতেন। ঘরগুলো আধুনিক, দেয়ালে কাঠের কারুকাজ, বারান্দায় দোলনা — সবই পরিপাটি, নিখুঁত। কিন্তু তবুও কেউ ছিল না পাশে। তিন বছর পর ওই বাড়িতে গিয়ে থাকতে শুরু করলেন মোবারক। বড় গেট, ফুলে ভরা বাগান, হাঁটার পথ, বিশ্রামের ছায়া — সবই ছিল, কিন্তু সঙ্গী বলতে কেউ ছিল না। একদিন হঠাৎ অসুস্থ বোধ করলেন। গা কাঁপুনি, জ্বর, দুর্বলতা। স্থানীয় ডাক্তার প্রথমে পাত্তা দিলেন না। কিন্তু দিন পেরোতে না পেরোতেই বোঝা গেল সমস্যাটা গুরুতর। শহরে গিয়ে রক্ত পরীক্ষা করালেন। ধরা পড়ল প্যানক্রিয়াস ক্যান্সার, তৃতীয় স্টেজ। হাসপাতালে শুয়ে শুয়ে মোবারক প্রথমবারের মতো ভাবলেন, এই বিশাল বাড়ি, জমানো টাকা, ব্যাংক ব্যালেন্স — সবই কেমন অর্থহীন লাগছে! জীবন এতটাই ক্ষণস্থায়ী, অথচ তিনি সারা জীবন কাটালেন হিসেব কষে। বাবার জীবনের শেষ সময়ে একটা ইনহেলার কেনেননি, মায়ের চোখে ছানি অপারেশনের খরচ দিতে অস্বীকার করেছিলেন। ভাতিজার পড়াশোনার খরচ না দেয়ায় কলেজে ভর্তি হতে পারেনি ছেলেটি। আজ সেই মোবারকের পাশে কেউ নেই। এক সন্ধ্যায় হাসপাতালের জানালায় তাকিয়ে থাকতে থাকতে চোখ ভিজে উঠল তাঁর। ছোট একটি মেয়ে পাশের রোগীকে তার বাবাকে ফল খাওয়াচ্ছে। দৃশ্যটি তাঁকে মনে করিয়ে দিল, তাঁর একটাই দোষ, ‘ভয় আর অবিশ্বাসে ভরা এক হৃদয়’। তিনি ভালোবাসতে পারেননি, কাউকে বিশ্বাস করতে পারেননি, এমনকি কাছের লোকজনকেও সাহায্য করতে পারেননি। টাকা ছিল, হৃদয় ছিল না। মোবারক সেই রাতে একজন নার্সকে ডেকে বললেন, “একটা কাজ করে দেবে মা?” নার্স বলল, “বলুন কাকা।” তিনি বললেন, “এই চিঠিটা আমার এলাকার মসজিদের ইমাম সাহেবকে পৌঁছে দেবে। আর যদি আমি বেঁচে না থাকি, আমার ঘরের আলমারির ভেতর থেকে সব কাগজ ও টাকা আমার গ্রামের দরিদ্র লোকজনের জন্য ওয়াকফ করে দিয়ো।” চিঠিতে তিনি তাঁর কিপ্টামির স্বীকারোক্তি লিখেছিলেন। ক্ষমা চেয়েছিলেন মা-বাবার কাছেও। আর সব সম্পত্তি দিয়ে যেতে চেয়েছিলেন এতিমখানা, হাসপাতাল এবং গ্রামের দরিদ্রদের জন্য। দুদিন পর মোবারক হোসেন মারা গেলেন। কেউ খুব একটা কাঁদেনি, কিন্তু তাঁর চিঠি যখন প্রকাশিত হলো, তখন অনেকের চোখে পানি এসেছিল। এক কাপুরুষ, কিপ্টে মানুষ শেষ জীবনে বুঝেছিলেন, মানুষের জীবনের আসল সম্পদ টাকা নয়, বরং সম্পর্ক, সহানুভূতি আর উদারতা। তাঁর তৈরি বাগানবাড়িটি এখন এক বৃদ্ধাশ্রম, যেখানে অনাথ ও অসহায় বৃদ্ধরা বসবাস করেন। তাঁর কিপ্টে জীবনের শেষ অধ্যায়ে পাওয়া অনুশোচনাই হয়তো মানুষের জন্য বড় একটি প্রাপ্তি হয়ে রয়ে গেল — একটা নিঃশব্দ শিক্ষা।

আগস্টেই রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

  চলতি বছরের আগস্টের শেষ দিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে ১,০০০ মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। অন্যদিকে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাসান জানিয়েছেন, কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট ২০২৭ সালের শুরুতে এবং দ্বিতীয় ইউনিট ২০২৮ সালের শুরুতে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা, কমিশনিং, পরিচালনাগত প্রস্তুতি এবং সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত নানা প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে জনমনে বিভিন্ন প্রশ্ন ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এসব বিষয়ে ড. জাহেদুল হাসানের সঙ্গে কথা হলে তিনি কেন্দ্রটির নিরাপত্তা, পরিচালনা, আন্তর্জাতিক তদারকি কাঠামোসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেন।  ড. জাহেদুল হাসান বলেন, একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কোনো একক প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তে পরিচালিত হয় না। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একাধিক স্বাধীন কারিগরি, নিয়ন্ত্রক ও নিরাপত্তা সংস্থার সমন্বিত তদারকির মাধ্যমে এর প্রতিটি ধাপ পরিচালিত হয়।  তিনি জানান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বিএইসি) প্রকল্পের মালিক হিসেবে নির্মাণ চুক্তি বাস্তবায়ন এবং স্থাপনা গ্রহণের দায়িত্ব পালন করছে। নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড আইন অনুযায়ী কেন্দ্রটির অপারেটিং অর্গানাইজেশন। কমিশনিং, নিরাপদ পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ভবিষ্যতে ডিকমিশনিং পর্যন্ত সব অপারেশনাল দায়িত্ব এনপিসিবিএলের ওপর ন্যস্ত। অন্যদিকে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুযায়ী প্রকল্পের প্রতিটি ধাপ মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স প্রদান করছে। কমিশনিং কার্যক্রমের স্বাধীন কারিগরি মূল্যায়নের জন্য বিএইবিএ আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ভিও সেফটিকে এক্সপার্ট অর্গানাইজেশন হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। এ ছাড়া রাশিয়ার সিআরইএ কমিশনিং, অপারেশনাল প্রস্তুতি, অপারেটর প্রশিক্ষণ এবং জ্ঞান স্থানান্তরে এনপিসিবিএলকে সহায়তা করছে। রাশিয়ার স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা Rostechnadzor গুরুত্বপূর্ণ কমিশনিং পর্যায়ে বিএইআরএর সঙ্গে প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা বিনিময় করছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বিভিন্ন Peer Review Mission ও Technical Review পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রস্তুতি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুযায়ী মূল্যায়ন করছে এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছে। ড. জাহেদুল বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের স্বাধীন কারিগরি মূল্যায়ন, নিয়ন্ত্রক অনুমোদন এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণ করেই গ্রহণ করা হয়। এনপিসিবিএল এখনো দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি—এমন সমালোচনার বিষয়ে ড. জাহেদুল বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার মূল ভিত্তি হলো দক্ষ জনবল ও শক্তিশালী নিরাপত্তা সংস্কৃতি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে সরকার এ খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। শত শত প্রকৌশলী, অপারেটর, রিঅ্যাক্টর বিশেষজ্ঞ, রসায়নবিদ, বিকিরণ সুরক্ষা কর্মকর্তা, রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী রাশিয়াসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। তারা Full Scope Simulator, On-the-Job Training এবং Classroom Training-সহ আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি অপারেটরকে বিএইআরএর কঠোর লাইসেন্সিং ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া অতিক্রম করতে হয়। একই সময়ে সিআরইএর বিশেষজ্ঞরা কমিশনিং পর্যায়ে এনপিসিবিএলের কর্মীদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চা অনুযায়ী জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা স্থানান্তর নিশ্চিত করছেন। ফলেএনপিসিবিএল বর্তমানে প্রযুক্তিগত, অপারেশনাল ও প্রাতিষ্ঠানিক—সব দিক থেকেই দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য একটি সক্ষম Operating Organization হিসেবে গড়ে উঠেছে।  স্পেন্ট ফুয়েল (ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি) ব্যবস্থাপনা এবং রাশিয়ার সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি—এমন আলোচনার প্রসঙ্গে ড. জাহেদুল বলেন, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শিল্পের প্রচলিত পদ্ধতি সম্পর্কে সীমিত ধারণার কারণেই এ ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জানান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের মধ্যে চুক্তি ইতোমধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ও টিভিইলের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহের ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট বিদ্যমান রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আইএইএর নিরাপত্তা নির্দেশিকা অনুযায়ী ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি রিঅ্যাক্টর থেকে অপসারণের পর তাৎক্ষণিকভাবে অন্য দেশে পাঠানো হয় না। প্রথমে কেন্দ্রের নকশার অংশ হিসেবে নির্মিত স্পেন্ট ফুয়েল পোলে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নিরাপদে সংরক্ষণ ও শীতলীকরণ করা হয়, যা বিশ্বের সব আধুনিক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রেই অনুসরণ করা হয়।   পরবর্তীতে বিদ্যমান আন্তঃরাষ্ট্রীয় চুক্তি, বাণিজ্যিক ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন হয়। উল্লেখ্য, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে রাশিয়ার ভিবিইআর-১২০০ মডেলের তৃতীয় প্রজন্মের দুটি রিয়্যাক্টর স্থাপন করা হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াট। দুটি ইউনিট চালু হলে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা হবে ২,৪০০ মেগাওয়াট। সংশ্লিষ্টদের মতে, রিয়্যাক্টরগুলো আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ড পূরণে সক্ষম। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম।  

কামিনীর গন্ধে তুমি

আকাশের নীলে কীবা কবিতার মিলে না গোলাপের সুরভিতে ডানা মেলা চিলে না। গোধূলির রং এসে সন্ধ্যায় যায় মেশে কোথাও তো নেই তুমি গল্পের শুরু-শেষে।   চাদরের আদরে না না ভোরের রবিতে না শিমুল কোলে থাকা কোকিলের ছবিতে। রিমঝিম টুপটাপ বরষার ছন্দে তোমাকেই খুঁজে পাই কামিনীর গন্ধে।  

তোমাকেই প্রয়োজন

অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়েছে পৃথিবীর ভাগ্যাকাশ শুরু হয়েছে একের পর এক দুর্যোগ, দুর্ভিক্ষ; মহামারি চলছে পাল্লা দিয়ে। বর্ণাঢ্য আয়োজনে পশুত্ব গিলছে মনুষ্যত্ব অ-অনুমেয়— কতটা লম্বা মৃত্যুর মিছিল?   অশান্ত, ভীষণ প্রকৃতি এখন। ধৈর্য, সহনশীলতার হয়েছে অকালমৃত্যু দানবীয় শক্তিতে জ্বলে উঠেছে আগ্নেয়গিরি। বিষাক্ত বিষ উদগিরিত হচ্ছে গলগলিয়ে লাভার তাপে অঙ্গার হলো পাখির নীড়।   এমন দুর্যোগকালীন সময়ে তোমাকে ভীষণ প্রয়োজন, কবিতা। কেবল তুমিই জানো স্বার্থের বেড়া ভেঙে প্রেমের কুটির রচনার মন্ত্র। তুমিই পারো ধ্বংসস্তূপকে রূপ দিতে শৈল্পিক।   এমন ধবধবে ভূতুড়ে দিনে তোমাকে ভীষণ প্রয়োজন, কবিতা। তোমার জাদুকরি শব্দরাই পারবে মোহের ঝকমকি সরিয়ে জাগ্রত পতাকা ওড়াতে। তোমার আগুনঝরা কথা স্ফুলিঙ্গের মতো ঘুরবে কালের আকাশে।  

বাবারা এমনই

পিঠে পেট ঠেকেছে, তবু আনন্দ-বেসাতির কমতি নেই রোদে পুড়ে ঝড়-বৃষ্টিতে ভিজে  একটা মানুষ জীবন-যুদ্ধে লড়ে যায় অহর্নিশি প্রসন্নতার আলপথে খোঁজে কষ্টের সুখ চোখের দীপ্র জ্যোতিতে প্রিয় সন্তানের মুখ কষ্টের টানাপোড়েনেও বাবা যেন সাঁকো বাঁধা সেতু- জীবন-নদীর দুই তীর অপত্য স্নেহে আগলে বেঁধে রাখে। নদীর স্রোত কোথাও খরস্রোতা, কোথাও ধীর লয় রোদে পুড়ে, ঝড়-বৃষ্টিতে ভিজে পরিশ্রমী বাবারা এমনই বহমান নদী।

অন্যান্য

View more
যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসা
যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ভিসার মেয়াদ সীমিত করল ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও বিদেশি সাংবাদিকদের ভিসার মেয়াদ সীমিত করার নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ চার বছর এবং বিদেশি সাংবাদিকরা সর্বোচ্চ ২৪০ দিন দেশটিতে বৈধভাবে অবস্থান করতে পারবেন। রেকর্ড সংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থীর আগমন ও দীর্ঘমেয়াদী অবস্থানের ওপর নজরদারি বাড়াতে এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। এই সিদ্ধান্তের আওতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের 'এফ' ভিসা, সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির 'জে' ভিসা এবং বিদেশি সাংবাদিকদের 'আই' ভিসার ওপর নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বিদেশি সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ ২৪০ দিন এবং চীনের নাগরিকদের ক্ষেত্রে মাত্র ৯০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের তথ্যমতে, বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিকের ওপর নজরদারি করা কঠিন হয়ে পড়ায় এবং মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় ধরে অবস্থান ঠেকানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত মেয়াদের পর অবস্থান করতে চাইলে এখন থেকে ট্রাভেল পারমিট নিয়ে নিজ দেশে ফিরে পুনরায় ভিসার আবেদন করতে হবে, যা বাংলাদেশসহ বিশ্বের লাখ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

জুলাই ২০, ২০২৬ 0
তুরস্কে উচ্চ শিক্ষা

তুরস্কে উচ্চশিক্ষা: আইইএলটিএস ছাড়াই পড়ার সুযোগ দিচ্ছে ৩ বিশ্ববিদ্যালয়

ফ্রান্সে উচ্চ শিক্ষা

বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক সক্ষমতার শর্ত আরও কঠোর

ভ্যাকসিনের ছবি

কেন বাধ্যতামূলক ভ্যাকসিন এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি?

নিউজিল্যান্ডের ওয়াইকাটো বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপের সুযোগ, বৃত্তি ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

নিউজিল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় পাবলিক গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াইকাটো’ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ভাইস চ্যান্সেলরস ইন্টারন্যাশনাল এক্সেলেন্স স্কলারশিপ’ দিচ্ছে। এই বৃত্তির আওতায় মেধাবী শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ ১৫ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন। বাংলাদেশসহ যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য এই স্কলারশিপে আবেদন করতে পারবেন। হ্যামিল্টন ও তৌরাঙ্গা শহরে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা, ব্যবসা, কম্পিউটার বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে। বৃত্তি পাওয়ার জন্য আবেদনকারীকে একাডেমিক ফলাফলের প্রমাণ দিতে হবে এবং প্রথম বছরের টিউশন ফি পরিশোধের সক্ষমতা থাকতে হবে। তবে স্পনসরশিপের মাধ্যমে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্রের মধ্যে রয়েছে পাসপোর্ট কপি, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, এসওপি (স্টেটমেন্ট অব পারপাস) এবং ইংরেজি ভাষার দক্ষতার সনদ। ভর্তি আবেদনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পোর্টাল থেকে স্কলারশিপের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ট্রাইমেস্টার অনুযায়ী আবেদনের সময়সীমা যথাক্রমে নভেম্বর, মে, আগস্ট এবং অক্টোবর মাসে নির্ধারিত রয়েছে। বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

জুলাই ২০, ২০২৬ 0

বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ: চট্টগ্রামে পিএফইসি গ্লোবালের ‘গ্লোবাল এডুকেশন এক্সপো’ ৪ আগস্ট

উচ্চশিক্ষার আবেদনে চাকরির অভিজ্ঞতা: কতটা গুরুত্বপূর্ণ

আইইএলটিএস প্রস্তুতি ও সফলতার উপায়: উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গড়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ

বিদেশে উচ্চশিক্ষা: যে ৮ কারণে বাতিল হতে পারে স্টুডেন্ট ভিসা

বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থীর ভিসা আবেদন শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়ে যায়। যথাযথ প্রস্তুতি এবং নথিপত্রের অভাবে মূলত এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আবেদনের আগে কিছু সাধারণ ভুল সম্পর্কে সচেতন থাকলে ভিসা রিজেকশনের ঝুঁকি অনেকাংশেই কমানো সম্ভব। স্টুডেন্ট ভিসা বাতিলের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে অসম্পূর্ণ নথিপত্র জমা দেওয়া, আবেদনপত্রে ভুল তথ্য প্রদান এবং পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দেখাতে ব্যর্থ হওয়া। এছাড়া ভিসা সাক্ষাৎকারে আত্মবিশ্বাসের অভাব, দুর্বল একাডেমিক ফলাফল, শিক্ষা বা কর্মজীবনের দীর্ঘ বিরতির যৌক্তিক ব্যাখ্যা না থাকা, অসংগতিপূর্ণ কোর্স নির্বাচন এবং ভাষার দক্ষতার প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে না পারাও ভিসা বাতিলের বড় কারণ। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, আবেদনের আগে সব কাগজপত্র সঠিকভাবে যাচাই করা, সঠিক তথ্য প্রদান এবং সাক্ষাৎকারের জন্য যথাযথ প্রস্তুতি নিলে ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়।

জুলাই ২০, ২০২৬ 0

২০২৬-২৭ বাজেট: আইন ও বিচার বিভাগে বরাদ্দ বাড়ল ২৮ কোটি টাকা

আইন ও বিচার বিভাগের জন্য ২ হাজার ১৮৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বাজেট প্রস্তাব

ক টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্র হবে: আইনমন্ত্রী

0 Comments

Related post

যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসা
অন্যান্য

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ভিসার মেয়াদ সীমিত করল ট্রাম্প প্রশাসন

জুলাই ২০, ২০২৬ 0